মুজিবনগর সরকারের কিছু কাজ যা প্রতিটি মানুষের জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে

মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ :মুজিবনগর সরকার গঠিত হলেও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার শপথ গ্রহণ করে। মুজিবনগর সরকারের শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী এমএনএ । শেখ। মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। মুজিবনগর সরকারের গঠন : তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণপ্রজাতনী বাংলাদেশ সরকারের সংগঠন এবং কার্যাবলির উপর একটি প্রতিবেদন পেশ করেন। সে প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, মুজিবনগর সরকারকে ১২টি মন্ত্রণালয়ে সংগঠিত করা হয়েছিল। মন্ত্রণালয়ের বাইরে আরাে ৫টি সংস্থা ছিল যারা সরাসরি মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে কাজ করতাে। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতার থিয়েটার রােডে স্থাপন করা হয়। মুজিবনগর সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কে নিম্নে বিস্তারিত আলােচনা করা হলাে :

মুজিব সরকারের কিছু কাজ যা জীবনে স্মরণীয়

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ স্বয়ং। মন্ত্রণালয়ের প্রধান ও মূল অঙ্গ সংস্থা ছিল সশস্ত্র বাহিনীর দপ্তর। সশস্ত্র বাহিনীর দপ্তরে ছিলেন প্রধান সেনাপতি কর্নেল ওসমানী, সেনাপ্রধান লে. কর্নেল রব, উপসেনাপ্রধান ও বিমানবাহিনী প্রধান এ কে খন্দকার এবং বিভিন্ন ব্যাংকের স্টাফ অফিসার। বাংলাদেশের সমস্ত যুদ্ধাঞ্চলকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

পরবর্তীকালে ৩টি ব্রিগেড গঠন করে এস ফোর্স, জেড ফোর্স ও কে ফোর্স নামকরণ করা হয়। ২. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় : মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মােশতাক আহমেদ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও স্টকহােমে মিশন স্থাপন করে। জাতিসংঘে প্রতিনিধি প্রেরণ করা। হয়। বাংলাদেশী নাগরিক এবং সহানুভূতিশীল ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইডেন, জাপান ও অন্যান্য কতিপয় দেশের সমর্থন লাভের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালানাে হয়। বাংলাদেশের বিশেষ দূত হিসেবে বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী ব্রিটেনে কূটনৈতিক তৎপরতা চালান এবং প্রবাসী বাঙালিদের সংঘবদ্ধ করে আন্দোলন ও জনমত গড়ে তােলেন।

অর্থ, শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় : মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এম. মনসুর আলী। মুজিবনগর সরকারের পূর্ণাঙ্গ বাজেট ছিল। এ বাজেটে শুধু সরকারের নয়, বিভিন্ন দফতর, অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, জোনাল অফিস, যুব ক্যাম্প, শরণার্থী, বেতার, প্রচারণা ইত্যাদির ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা ছিল। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে একটি বাণিজ্য বাের্ড গঠন করা হয়। এ বাের্ড শুধু আয়ের উৎস হিসেবেই নয়; বরং বাংলাদেশের আর্থিকভাবে টিকে থাকার জন্য বিদেশে পণ্য রপ্তানির বিভিন্ন উৎস অনুসন্ধান করে। ৪. স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে একজন মহাপরিচালকের অধীনে এ বিভাগ গঠন করা। হয়েছিল।

এ বিভাগের কার্যাবলি, সেনাবাহিনীর। জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বেসরকারি চিকিৎসা সেবা দুটি পৃথক ক্যাটাগরির অধীনে সংগঠিত করা হয়। বিভিন্ন সংস্থা থেকে অনুদান হিসেবে ওষুধ ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং রিকুইজিশনের ভিত্তিতে বিভিন্ন সেক্টরে সেগুলাে পাঠানাের ‘ দায়িত্ব ছিল স্বাস্থ্য বিভাগের। * ৫. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় । মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন এ. এইচ এম কামরুজ্জামান।। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জোনাল এডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিলসমূহের দায়িত্ব পালন করেন। তথ্য সংগ্রহ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার নিকট। সেগুলাে প্রেরণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ ছিল।

৬. মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং তার অধীনে অতি অল্পসংখ্যক কর্মকর্তার সমন্বয়ে | সচিবালয় গঠন করা হয়েছিল। মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়ের দায়িত্ব ছিল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি মন্ত্রিপরিষদের সভায় পেশ করা, | সিদ্ধান্তসমূহ লিপিবদ্ধ ও বিতরণ করা এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ করা। । ৭. তথ্য ও বেতার, মন্ত্রণালয় : স্বাধীন বাংলা বেতার সরকারের অধীন সর্বপ্রথম সংস্থাসমূহের অন্যতম। প্রাথমিক অবস্থায় আব্দুল মান্নান এমএনএ-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে বেতার কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। কালিগঞ্জ সার্কুলার | রােডের বাড়িতে অনুষ্ঠান ধারণ করা হতাে। তবে, তা প্রক্ষেপণ করা হতাে ৩৯ সুন্দরী মােহন স্ট্রিটের আটতলা বাড়ির ছাদের উপর থেকে। মিডিয়াম ওয়েভ ৩৬১.৪৪ মিটার ব্যান্ডে প্রতি সেকেন্ডে ৮৩০ কিলাে সাইকেলে ভেসে আসত ব্যথা বাংলা বেতার কেন্দ্রের আহ্বান। ৮. সাধারণ প্রশাসন। সাধারণ প্রশাসন বিভাগে একজন পূর্ণ সচিব নিয়ােজিত ছিলেন। তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কাজ করেন।

এ বিভাগ সরকারের সকল সংস্থাপন বিষয়ক কাজের দায়িত্ব পালন করে। আঞ্চলিক পর্যায়ের ১ম ও ২ শ্রেণীর পদসমূহ পূরণ, অফিসসমূহের বাজেট অনুমােদন ইত্যাদিও সাধারণ প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব ছিল। ৯. প্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ : এটি রিলিফ কমিশনের অধীনে সংগঠিত যিনি সরাসরি স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণমন্ত্রীর অ কাজ করেন। ত্রাণের জন্য গৃহীত বিভিন্ন প্রকার আবেদনপত্রসমূহ নিখুঁতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিশেষ ক্ষেত্রে বাংলাদে নাগরিকদের সাহায্য করে এ বিভাগ। এ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ শিক্ষকমণ্ডলীর রিফিলের ব্যবস্থাও করেছে।

একজন প্রধান প্রকৌশলী নিয়ােগ করা হয়েছিল

প্রকৌশল বিভাগ : । তার অধীনস্থ জোনাল | ইঞ্জিনিয়ারদেরকে সেক্টর কমান্ডারদের প্রয়ােজন অনুযায়ী কাজ করার জন্য পােস্টিং দেওয়া হয়েছিল। ১১. পরিকল্পনা কমিশন : মুজিবনগর সরকার পূর্ববর্তী পরিকল্পনা কোষকে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা কমিশনে । | সংগঠিত করে। ড. মােজাফফর আহমদ চৌধুরীকে এ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়ােগ দেওয়া হয়। কমিশন। বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের মধ্য থেকে এর নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ােগ করে। ১২. কৃষি বিভাগ : এ বিভাগের প্রধান ছিলেন একজন সচিব। কৃষি বিভাগ পুরােপুরি সংগঠিত ছিল না। ১৩. সংসদীয় বিষয়ক বিভাগ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বয়ং এ বিভাগ দেখাশুনা করতেন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের |

সমস্যাদি সমাধানের দায়িত্ব পালন করেছে এ বিভাগ। ১৪. যুব ও অভ্যর্থনা শিবিরসমূহের নিয়ন্ত্রণ বাের্ড : এ বাের্ডের প্রধান ছিলেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী। এ সময় ২৪টি যুব শিবির ও ১১২টি অভ্যর্থনা শিবির ছিল। বাের্ড অনুমােদিত বাজেটের ভিত্তিতে ইয়ুথ ও রিসেপশন ক্যাম্পসমূহের চাহিদা মেটাত। নিয়মিতভাবে যুব ক্যাম্প থেকে ছেলেদেরকে এনে গেরিলা বাহিনীতে ভর্তি করানাে হয়। ১৫. উদ্বাস্তু কল্যাণ বোের্ড : এ বাের্ডের জন্য একজন চেয়ারম্যান নিয়ােগ করা হয়েছিল। । ১৬. ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটি : এ কমিটির প্রধান ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের উদ্বাস্তুদের দেখাশুনার দায়িত্ব পালন করেন। মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ : মুজিবনগর সরকারের একটি বিশেষ প্রচেষ্টা ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধে দলমত-নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করা। এ কারণে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, কমরেড মণি সিং, প্রফেসর মােজাফফর আহমদ এবং শ্রী মনােরঞ্জন ধরকে নিয়ে সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। মুজিবনগর সরকারের সাফল্য : স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের গঠন-কাঠামাে এবং কার্যাবলির দিকে লক্ষ করলেই। বুঝা যায় যে, মাত্র ন’মাস সময়ে অসাধারণ নেতৃত্বের গুণে মুজিবনগর সরকার অসম্ভবকে সম্ভব করে তােলে।

পশ্চাতে ব্যাপক গণসমর্থনও কাজ করেছে। মুজিবনগর সরকারের সাফল্যের বিভিন্ন দিক নিম্নে তুলে ধরা হলাে : ১. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা : স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ দিকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে। মুক্তিযােদ্ধা ও স্থানীয় জনসাধারণ রাজাকার ও দেশদ্রোহীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে নিজেদের হাতে আইন তুলে নিতে। থাকলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। মুজিবনগর সরকার স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে ঘােষণা করে, আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। ভুলে যাবেন না আমাদের যুদ্ধ হলাে গণতন্ত্র আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার। জন্য, শান্তি আর অগ্রগতির জন্য। মুজিবনগর সরকারের সময়ােপযােগী সিদ্ধান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।

বেসামরিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা : দেশ মুক্ত হবার পূর্বেই জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ টিম গঠন করা। হয়েছিল যাতে করে প্রশাসনে কোনাে প্রকার শূন্যতা দেখা না দেয় ।। ৩. উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন : মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভ হলে এক কোটির বেশি লােক ভিটেমাটি ছাড়া প্রায় নিঃস্ব হয়ে ভারতে। আশ্রয় গ্রহণ করেছিল। যুদ্ধের পর তাদের পুনর্বাসন করা ছিল সত্যিকার অর্থেই কষ্টসাধ্য। ভারত সরকারের সহযােগিতা, । জাতিসংঘ এবং অন্যান্য বৈদেশিক সাহায্য নিয়ে মুজিবনগর সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পুনর্বাসন সমস্যার সমাধান করেন। ৩. যােগাযােগ ব্যবস্থার পুনর্বাসন : যুদ্ধবিধ্বস্ত যােগাযোগ ব্যবস্থাকে সচল করার জন্য প্রয়ােজন ছিল। অতিমানবিক প্রচেষ্টা ও সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা। মুজিবনগর সরকার তা করতেও সক্ষম হয়েছিল। ৪. নিত্যপ্রয়ােজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিতকরণ : নিত্যপ্রয়ােজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর সরবরাহ। নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণকল্পে পরিকল্পণা কমিশন এবং মুজিবনগর সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় একযোগে। কাজ করেছে।

তাদের নিরলস প্রচেষ্টার কারণেই ১৯৭১-৭২ সালে কোনাে বড় সমস্যা দেখা দেয় নি। মুজিবনগর সরকারের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে গণহত্যা সেল গঠন।। বাংলাদেশ হাইকমিশনে এ সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রাথমিকভাবে এ সেলের দায়িত্বে ছিলেন মওদুদ আহমদ। পরবর্তীতে রাষ্ট্রদূত ফাতেহ এবং মােমেন দায়িত্ব নেন। প্রতিটি জোনের কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ ছিল, পরবর্তীকালে আদালতে ব্যবহারের জন্য তারা যেন তথ্য সংগ্রহ করেন এবং সাক্ষী-সাবুদ প্রস্তুত রাখেন। সেলের নির্দেশানুযায়ী প্রচুর তথ্য ও সাক্ষ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে গণহত্যার বিচার না হওয়ায় এসব তথ্য ও সাক্ষ্য সংগ্রহ কোনাে কাজে লাগে নি।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, বাংলার আপামর মানুষের দেশপ্রেম, ত্যাগ, মুক্তি কামনাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করে এবং দেশে ও বিদেশে সমর্থনের ব্যবস্থা করে মুজিবনগর সরকার যে অবিস্মরণীয় কীর্তি স্থাপন করেছিল তা সমকালীন ইতিহাসের বিচারে অতুলনীয়। পাকিস্তান ও তার দোসরদের ব্যাপক অপপ্রচার সত্ত্বেও মুজিবনগর সরকারের প্রতি যে সহানুভূতি ও নৈতিক সমর্থন বিশ্বব্যাপী গড়ে উঠেছিল তার প্রধানতম কারণ ছিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীন ও সার্বভৌম নীতিসমূহ এবং কার্যকলাপ।

Masud

আমি মাসুদ রানা। Studytimebd.com একটি শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট। আমি এখানে সকল শিক্ষামূলক তথ্য প্রকাশ করে থাকি। এই ওয়েবসাইটে যে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় তার মাঝে প্রধান ক্যাটেগরি গুলো হলো লেখাপড়া, পরীক্ষার প্রস্তুতি, বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি।

View all posts by Masud →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *