জাহাজের তলদেশে মাইন স্থাপন করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিরাপদ

মুক্তিযােদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণ ‘অপারেশন জাকপট’ : ১৪ আগস্ট ১৯৭১ বাংলাদেশের। নৌবাহিনীর ১০ নং সেক্টরের সদস্যরা বিভিন্ন নৌবন্দরে একযােগে আক্রমণ চালিয়ে বর্বর পাকিস্তানি নৌ-শক্তিকে ধ্বংস। করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ আক্রমণের সাংকেতিক নাম দেওয়া হয় অপারেশন জাকপট। ভরা বর্ষার খরস্রোতা নদীতে। ঝাপিয়ে পড়ে অকুতােভয় নৌবাহিনীর বীর সদস্যরা অভিযান সফল করেছিলেন। বুকে মাইন বেঁধে রাতের আঁধারে নদীতে। সাতরিয়ে ডুব দিয়ে জাহাজের তলদেশে মাইন স্থাপন করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিরাপদ দূরত্বে চলে যায়।

অতঃপর মাইয় বিস্ফোরিত হয়ে ৪৫টির মতাে জাহাজ ধ্বংস করে। প্রকৃতপক্ষে এ ঘটনার পর পাকিস্তানি বাহিনী মনােবল হারিয়ে ফেলে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের বিজয় ত্বরান্বিত হয়।। ৯. পাকিস্তানিদের অর্থনৈতিক শােষণ : পাকিস্তানিদের অর্থনৈতিক বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি। জনগােষ্ঠীর পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশই হলাে স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বস্তরের জনতার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ। পাকিস্তান। সৃষ্টির পর হতেই পাক শাসকগােষ্ঠী বাঙালিদের অর্থনৈতিক দিক দিয়ে শােষণ করতে শুরু করে। ফলে পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম।

জাহাজের তলদেশে মাইন স্থাপন

পাকিস্তানের উপনিবেশে পরিণত হয়। অর্থনৈতিক দিক থেকেও পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।। তাছাড়া পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালিদের কার্যত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হতে বঞ্চিত করা হয়। পাঞ্জাবি শাসকগােষ্ঠী নিজেদের হাতে সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে। এ কারণে পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতি বাঙালিদের মমত্ববােধ ক্রমশ লােপ পেতে থাকে। ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ ৯ মাস স্থায়ী মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিগণ অসীম সাহস, ধৈর্য ও ত্যাগের বিনিময়ে সফলতা ছিনিয়ে আনতে অনুপ্রেরণা পায়।। উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা বাঙালি জাতীয়তাবােধ, ‘৫৪ এর নির্বাচন, ‘৫৬-এর সংবিধান, ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরােধী আন্দোলন ইত্যাদির মাধ্যমে শক্তিশালী হতে। থাকে।

এর ছয় দফায় এর প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৬৯-এর। গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়লাভ বাঙালি জাতির ভিতকে শক্তিশালী করে। ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ তাই সংঘটিত হয়েছিল অসীম সাহসিকতার সাথে। সহনশীলতা, ধৈর্য এবং সাহসিকতার সাথে জাতির যােগ্য সন্তানরা যেমন। রাজনৈতিকভাবে ছিলেন সংগঠিত, তেমনি যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলেন ঐক্যবদ্ধ। সত্যিকার অর্থে গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযােগের মতাে মানবতাবিরােধী কাজ করে উৎরে যাওয়ার ইতিহাস নেই যা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরাও পারে নি, যার ফলশ্রুতিতে। বাঙালি জাতির বিজয় অর্জিত হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা

আলােচনা কর। | অথবা, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর। | গাইবান্ধা স. ক, গাইবান্ধা, নি, প,-‘১৫)। , উত্তর : ভূমিকা : বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ছিল বাঙালি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। তাই দেশের সব প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল এতে যােগ দেয়। অবশ্য এ সংগ্রামে সব রাজনৈতিক দলের সমান ভূমিকা ছিল না। আওয়ামী। লীগ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করায় বাঙালি জনগণের যথার্থ প্রতিনিধি বলে প্রমাণিত হয়।। কাজেই মুক্তি সংগ্রামে আওয়ামী লীগকেই সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালনে এগিয়ে আসতে হয়। এছাড়া মুক্তি সংগ্রামে। অন্যান্য প্রগতিশীল দলও নিজ নিজ সাধ্যমতাে অবদান রেখেছিল।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলাের ভূমিকা : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলাে। দু’ভাগে ভাগ হয়ে যায়। প্রতিক্রিয়াশীল ডানপন্থি রাজনৈতিক দলগুলাে মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরােধী পাকবাহিনীকে। সর্বতােভাবে সাহায্য করে। আর গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলগুলাে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলগুলাের ভূমিকাও সমান ছিল না।

নিম্নে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন

রাজনৈতিক দলের ভূমিকা আলােচনা করা হলাে : ১. আওয়ামী লীগ : ৬ দফা আন্দোলন ও ১১ দফার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় রাজনৈতিক । দলে পরিণত হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় বাঙালিদের যথাযথ | প্রতিনিধিত্বশীল দল বলে প্রমাণিত হয়। তাই আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কাল রাত্রির পর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে সমবেত হয়। নির্বাচিত জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘােষণা দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য ১৩ এপ্রিল একটি কেবিনেট গঠন করা হয়। ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। সামরিক কার্যকলাপ। পরিচালনার জন্য আওয়ামী লীগ দলীয় কর্মীদের ভারতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। প্রশিক্ষণ শেষে দলীয় কর্মীরা। পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে যায়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের কারণে মুক্তিযুদ্ধে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দান করে।

২. বামপন্থি রাজনৈতিক দল । আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সাবেক সােভিয়েত ইউনিয়ন ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের। বিরােধিতার কারণে ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তানের বামপন্থিরা দুটি দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যথা- (ক)। সােভিয়েত ইউনিয়নের অনুসারী বা মস্কোপন্থি দলসমূহ; (খ) চীনের অনুসারী বা পিকিংপন্থি দলসমূহ। বাংলাদেশের। মুক্তিযুদ্ধে এ উভয় শ্রেণীভুক্ত বামপন্থি রাজনৈতিক দলই অংশগ্রহণ করে। নিম্নে বামপন্থি দলসমূহের ভূমিকা পৃথক। ‘ পৃথকভাবে আলােচনা করা হলাে : | (ক) মস্কোপন্থি রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকা : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মস্কোপন্থি রাজনৈতিক ‘ দলগুলাের ভূমিকা ছিল নিম্নরূপ : ‘ (t) বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (মণি সিংহ) :

কমরেড মণি সিং-এর নেততে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পাটি মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের সাথে সহযােগিতা করে। মণি সিং স্বাধীনতা সংগ্রামকালে রাজশাহী কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বিপ্লবী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য ছিলেন। [ (ii) বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন : স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশের। ছাত্র যুবকদের সমর্থন লাভ এবং তাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য এক যৌথ বিবৃতি দেয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু।

হলে হাজার হাজার ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী ভারতে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য সমবেত হয় এবং প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে। অংশগ্রহণ করে। [ (ii) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মােজাফফর) : সােভিয়েতপন্থি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি ১৯৭১ সালের মে মাসে ভারতে এক বিশেষ বৈঠক আহ্বান করে। এ বৈঠকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে একটি জাতীয় সগ্ৰাম বলে চিহ্নিত করা হয়। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি প্রধান কমরেড মােজাফফর আহমেদ বিপ্লবী সরকারের অন্তর্ভুক্ত হন। এভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মস্কোপন্থি দলগুলাের হাজার হাজার নেতাকর্মী সরাসরি অংশগ্রহণ করে।

বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধে অংশগ্রহণ

বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এসব পার্টির অসংখ্য নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করে। . (খ) চীন বা পিকিংপন্থি রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকা : আন্তর্জাতিক রাজনীতির কারণে বাংলাদেশের চীনপন্থি রাজনৈতিক দলসমূহ স্বাধীনতা যুদ্ধে উজ্জ্বল ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়। তবুও কিছুসংখ্যক পিকিংপন্থি। কমিউনিস্ট দল মুক্তিযুদ্ধে দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারতে গমন করে স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। এসব। দলের ভূমিকা নিম্নে আলােচনা করা হলাে : | (t) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) : ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানের বর্বর সেনাবাহিনী এদেশের মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়লে ২১ আগস্ট মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এর প্রতিবাদ করে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে।

মুক্তিযুদ্ধে সাহায্যের জন্য পত্র প্রেরণ করেন। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে জুন মাসে ৮টি বামপন্থি দল নিয়ে গঠন করা হয় বাংলাদেশ মুক্তিসংগ্রাম সমন্বয় কমিটি’ । এ কমিটিতে যেসব দল ঐক্যবদ্ধ হয় সেগুলাে হলাে, কাজী জাফরের কমিউনিস্ট পার্টি, শুভ রহমানের বাংলাদেশ কমিনিস্ট পার্টির পৃথক একটি অংশ, দেবেন শিকদারের পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি, নজরুল ইসলামের কমিউনিস্ট পার্টি সংহতি কেন্দ্র, ভাসানীর ন্যাপ, পূর্ববাংলার ছাত্র ইউনিয়ন, পূর্ববাংলার বিপ্লবী ছাত্র। ইউনিয়ন। মওলানা ভাসানীকে এ সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়ন।

পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) : ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে। কেন্দ্রীয় কমিটির এক গােপন বৈঠকে এ পার্টির নেতা সুখেন্দু ও মােহাম্মদ তােয়াহা একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, মুক্তিযুদ্ধ হলাে একটি জাতীয় সংগ্রাম এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীন অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য এ সংগ্রামকে জনযুদ্ধে। পরিণত করতে হবে। কিন্তু পার্টির অন্যান্য নেতা এ বক্তব্যকে মেনে নেয় নি। ফলে স্বাধীনতা সংগ্রামে এরা কোনাে সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ চালিয়ে যেতে পারে নি। পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুখেন্দু বিপ্লবী বাহিনী ‘লালফৌজ’ গঠন করেন। এবং পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ করে কিছু অঞ্চল মুক্ত করে। ।

পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (দেবেন-বাসার)

পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (দেবেন-বাসার) : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে দেবেন। শিকদার প্রথমে কলকাতা চলে গেলেও পরবর্তীতে বাংলাদেশে ফিরে এসে পার্টির নেতা মতিন ও আলাউদ্দিনের সাথে। পরিস্থিতি বিশ্লেষণের জন্য আলােচনায় বসেন। আলােচনাকালে দেবেন শিকদার বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধকে পাকিস্তানি। ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয় লড়াই বলে অভিহিত করেন এবং ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম। পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন। | আব্দুল মতিন এবং আমজাদ হােসেনের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে শত্রুমুক্ত এলাকা গড়ে তােলা হয়। দেবেন শিকদার এবং আব্দুল বাসার ভারতে অবস্থান করে মুক্তিযােদ্ধাদের দুটি পৃথক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সংগঠিত করেন এবং সেখান থেকে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যান। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে পর্ববাংলা কমিউনিস্ট পাটির মতিন আলাউদ্দিন গ্রুপ, স্থানীয় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সহায়তায় পাবনা হেডকোয়ার্টারের প্রায় ১০০ জন পাক সৈন্য হত্যা করে। কিন্তু পরে চীনের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী তাদের দৃষ্টিভঙ্গিও পরিবর্তিত হয়।

আরো পড়ুন:

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *