শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে আলােচনার কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য

শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে পবিস্তানি শাসকগোষ্ঠার। বিরুদ্ধে পূর্ববাংলার জনগণকে স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানালে পাকিস্তান সরকার নতুন প্রহসন শুরু করে। ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে আলােচনার অন্তরালে সামরিক প্রস্তুতি। গ্রহণ করেন। অবশেষে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ইয়াহিয়া খান ঘুমন্ত নিরস্ত্র মানুষের উপর সেনাবাহিনী লেলিয়ে দিয়ে জঘন্য হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেন এবং ঐ রাতেই শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যান।

স্বাধীনতার ঘােষণা : গ্রেফতারের পূর্বেই শেখ মুজিবুর রহমান টেলিফোনযােগে চট্টগ্রামে তার সহযােগী এম. এ. হান্নানের নিকট স্বাধীনতা ঘােষণার কথা জানিয়ে দিলে সর্বপ্রথম চট্টগ্রামে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়। অতঃপর। ২৬ মার্চ, মতান্তরে ২৭ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘােষণা করলে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।

রেসকোর্স ময়দানে আলােচনা

মুক্তিযুদ্ধের ফলাফল : থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর। আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে তার সমাপ্তি ঘটে। দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী যুদ্ধের ফলে বাংলার রাস্তাঘাট, ব্যবসা-বাণিজ্যিক কেন্দ্র, শিল্পকলকারখানার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। এ যুদ্ধ ছিল বাঙালি জনগণের জন্য একটি অসম যুদ্ধ। কিন্তু অসীম সাহস ও মনােবলের সাথে বাংলার মুক্তিপাগল জনতা যার যার অবস্থান থেকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এ যুদ্ধে প্রায় ৩০ লক্ষ নরনারী-বৃদ্ধ-শিশুর সমাধি। রচিত হয়। অসংখ্য নারী সম্ভ্রম হারায়, গৃহহারা হয় প্রায় এক কোটি বাঙালি এবং ছিন্নমূল ও সর্বহারা হয় অসংখ্য বাঙালি সন্তান।

এত বিসর্জন দিয়ে বাঙালিরা শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানিদের পরাজিত করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়। আর এ স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে বাংলায় পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে এবং বাঙালি সত্তার বিকাশের পথ সুপ্রশস্ত হয়। সর্বোপরি বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের পরিচিতির সাথে সাথে বাঙালির বীরত্ব প্রকাশ পায়। | উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাংলার শেষিত জনগণের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রত্যক্ষ ও সশস্ত্র বহিঃপ্রকাশ। আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক প্রভৃতি ক্ষেত্রে অসাম্যের বিরুদ্ধে ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাঙালিদের দীর্ঘদিনের প্রয়াসের চূড়ান্ত রূপই হলাে এই মুক্তিযুদ্ধ। এ মুক্তিযুদ্ধের ফলেই। এক সাগর রক্ত আর লক্ষ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

জনগণের স্বীয় সত্তা বিকাশের এক অপূর্ব সুযােগ সৃষ্টি

আর সেই সাথে বাঙালি | হিসেবে জনগণের স্বীয় সত্তা বিকাশের এক অপূর্ব সুযােগ সৃষ্টি হয়। 33 প্রশ্ন : ৯.৩। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, নেতৃত্ব ও কৌশল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। অথবা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, নেতৃত্ব ও কৌশল সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর। মুক্তিযুদ্ধ ছিল বাঙালি জাতির জীবনে সর্বাপেক্ষা স্মরণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠীর অত্যাচার, শােষণ আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ববাংলার আপামর জনসাধারণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার এক চূড়ান্ত ও দুর্বার সংগ্রামই ছিল

পশ্চিম পাকিস্তানের ভয়াল থাবাকে উপেক্ষা করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে লক্ষ কোটি জনতা। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রায় ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বােনদের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা। অর্জন করি। যুদ্ধে পাকিস্তানিরা সৈন্য, অস্ত্র ও শক্তির দিক থেকে শক্তিশালী থাকলেও মুক্তিযােদ্ধাদের দক্ষ সংগঠন, নেতৃত্ব। ও কৌশলের কাছে তারা পরাজয় মানতে বাধ্য হয়। ‘ স্বাধীনতার ঘােষণা : পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসক ইয়াহিয়া খান ফলাফল মেনে না নিয়ে নানা টালবাহনা শুরু করে। ঢাকায় গােলটেবিল বৈঠকের আহ্বান করে ব্যর্থ হলে ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে বন্দী করে নিয়ে যায় পশ্চিম পাকিস্তানে আর পূর্ব পাকিস্তানে শুরু করে ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বর ধ্বংসযজ্ঞ।

চট্টগ্রামে কিছুসংখ্যক বেতারকর্মী শিল্পী ও শিক্ষক

ইতােমধ্যে চট্টগ্রামে কিছুসংখ্যক বেতারকর্মী শিল্পী ও শিক্ষক চট্টগ্রামের আগ্রাবাদস্থ একটি বেতার কেন্দ্র চালু করেন। ২৬ মার্চ দুপুর ২.৩০ মিনিটে জনাব এম.এ হান্নান সর্বপ্রথম এ কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘােষণাপত্র পাঠ করেন। কিন্তু ঝুকি থাকায় বেতার কেন্দ্রটি কালুরঘাটে ট্রান্সমিট করা হয়, যা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ নামে পরিচিতি লাভ করে। ২৬ মার্চ সন্ধ্যা ৭ টা ৪০ মিনিট থেকে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এখান থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা। সম্পর্কিত ঘােষণার বাংলা অনুবাদ উপস্থাপন করেন আবুল কাসেম সন্দ্বীপ। এরপর মূল ইংরেজি ভাষণ পাঠ করেন ওয়াপদার। তৎকালীন প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম। এরপর জনাব আব্দুল হান্নান এ বেতার কেন্দ্র থেকেই আবারাে স্বাধীনতার ঘােষণা সম্পর্কিত বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বেতারে প্রচার করেন।

বেলাল মােহাম্মদ; ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র  ২৭ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় এ কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘােষণাটি প্রচার করেন। ৩০ মার্চ মেজর জিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র (কালুরঘাট) হতে তার এক ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সেনাবাহিনীর সর্বােচ্চ কমান্ডার হিসেবে ঘােষণা করেন। তিনি এ কথা স্পষ্ট করে দেন যে, মুক্তিবাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার শেখ মুজিবই (বঙ্গবন্ধু) উক্ত সংগ্রামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধু ও অন্যান্য কর্তৃক ঘােষিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরােধ গড়ে উঠে।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন : মুক্তিযুদ্ধের ঘােষণা দেওয়ার সাথে সাথে বাঙালি সমাজের মাঝে তারুণ্যদীপ্ত ভাব চলে। | আসে। সাহসী বীরেরা মুক্তিযুদ্ধকে পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন সংগঠন তৈরি করেন। এদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য হচ্ছে (ক) প্রবাসী সরকার গঠন : ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথপুরের ভবেরপাড়ায় আম্রকাননে । বর্তমানে মুজিবনগরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ ১০ এপ্রিল এক বিবৃতির মাধ্যমে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠনের ঘােষণা দেন।

মুজিবনগর সরকার হিসেবে পরিচিতি

এই সরকার মুজিবনগর সরকার হিসেবে পরিচিতি পায়। এই সরকারের গঠন ছিল নিম্নরূপ : শেখ মুজিবুর রহমান। উপরাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ। পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী : খন্দকার মােশতাক আহমেদ। অর্থমন্ত্রী : এম, মনসুর আলী। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী : কামরুজ্জামান। প্রধান সেনাপতি : লে. কর্নেল, অব. মােহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। শপথ বাক্য পাঠ করান : মােঃ ইউসুফ। (খ) মুক্তিবাহিনী গঠন : বর্বর পাকবাহিনী ২৫ মার্চের ভয়াল রাত্রিতে ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাপিয়ে পড়ে। স্বাধীনতার ঘােষণা দেওয়া হলে, বাংলাদেশের নিরস্ত্র অসহায় জনগণ আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর মােকাবিলায় গেরিলা যুদ্ধের কৌশল গ্রহণ করে। বাংলাদেশের গেরিলা যুদ্ধ ২৬ মার্চ থেকে শুরু হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৫ মে থেকে।

এ সময় প্রবাসী সরকার ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিবাহিনী গঠন করে। এ ব্যাপারে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন মূল সমন্বয়কারী ।। (গ) সামরিক সংগঠন : ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের প্রায় ১৪ হাজার বাঙালি নওজোয়ান, ইস্ট বেঙ্গল । রেজিমেন্টের প্রায় ৩ হাজার নওজোয়ান ও ভারতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ-আনসার মুক্তিযােদ্ধাদের সমন্বয়ে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ সুসংগঠিতভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা ছাড়াও আরাে তিনটি বাহিনী গঠন করা হয়। (ক) মেজর জিয়াউর রহমান ‘জেড’ ফোর্স, (খ) মেজর শফিউল্লাহ- এস’ ফোর্স, (গ) মেজর খালেদ মােশাররফ ‘কে’ ফোর্স- এভাবে সামরিক পুনর্বাসনের মাধ্যমে নিয়মিত বাহিনীর যােদ্ধারা জলে-স্থলে সর্বক্ষেত্রে প্রচলিত যুদ্ধের পাশাপাশি গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করতে থাকে। ২. স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিম্নোক্ত দু’ধরনের নেতৃত্ব ছিল (ক) রাজনৈতিক বা বেসামরিক নেতৃত্ব : বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার এই যুদ্ধে। রাজনৈতিক বা বেসামরিক নেতৃত্ব দান করে। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও দল যেমন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী), ন্যাপ (মােজাফফর), সাম্যবাদী দল (তােয়াহা), ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া), কমিউনিস্ট পার্টি (কমরেড মণিসিংহ)।

স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একান্ত কাম্য

যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদান করে, যা দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একান্ত কাম্য ছিল। (খ) সামরিক নেতৃত্ব : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সামরিক নেতৃত্ব দান করে মুক্তিবাহিনী। মুক্তিবাহিনী আবার দুটি পৃথক অংশে বিভক্ত ছিল। (ক) নিয়মিত বাহিনী, (খ) অনিয়মিত বাহিনী। নিয়মিত সেনাবাহিনীর। নিয়মিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল। গণবাহিনী গঠিত হয়েছিল ছাত্র, কৃষক ও শ্রমিকদের নিয়ে। মুক্তিবাহিনীতে যাদের নিয়ােগ দেওয়া হয়েছিল তাদের অধিকাংশই ছিল আওয়ামী লীগের সদস্য, কর্মী বা আওয়ামী লীগের প্রতি। সহানুভূতিশীল।

তবে অন্যান্য দল ও মতাদর্শে বিশ্বাসীদেরও মুক্তিবাহিনীতে যােগদানের পথ উন্মুক্ত ছিল। এছাড়াও সামরিক নেতত্ব দেয়- মুজিব বাহিনী, আফসার বাহিনী, হেমায়েত বাহিনী, কাদেরিয়া বাহিনী, সিরাজ বাহিনী ইত্যাদি। ৩, মুক্তিযুদ্ধের কৌশল : মুক্তিযুদ্ধের কৌশল নিয়ে আলােচনার জন্য মেজর মােঃ সফিউল্লাহ, মেজর খালেদ। মােশাররফ, কর্নেল ওসমানী সিলেটের তেলিয়াপাড়াতে মিলিত হন, যা তেলিয়াপাড়া কৌশল হিসেবে বেশি পরিচিত। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধের ৩টি কৌশল নির্ধারণ করা হয়। প্রথমত, একটি বিশাল গেরিলা বাহিনী গঠন করা হবে এবং এদের ট্রেনিং দেওয়া হবে। এদের প্রধান প্রধান কাজ। হবে পাকিস্তানি দোসরদের হত্যা করা, যােগাযােগ বিচ্ছিন্ন করা, ‘হিট এন্ড রান’ অপারেশন চালানাে। | দ্বিতীয়ত, মুক্তিবাহিনীর নিয়মিত ইউনিট গঠন করা এবং গেরিলাদের সহায়তা করা।

 

Masud

আমি মাসুদ রানা। Studytimebd.com একটি শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট। আমি এখানে সকল শিক্ষামূলক তথ্য প্রকাশ করে থাকি। এই ওয়েবসাইটে যে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় তার মাঝে প্রধান ক্যাটেগরি গুলো হলো লেখাপড়া, পরীক্ষার প্রস্তুতি, বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি।

View all posts by Masud →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *