দেশ সেবায় নিয়োজিত থাকা একটি মহৎ কাজ – সেবায় নিয়োজিত থাকার কিছু গুণাবলী

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট ও থাকতে মার্চের পর থেকে বাংলাদেশের দিশাহারা মানুষ সীমান্ত পার হয়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। যুদ্ধ থেকে শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ নয় মাস ধরে  লক্ষ আশ্রয়হীন, সহায়সম্বলহীন মৃত্যুভয়ে আতঙ্কিত মানুষকে আন্তর্জাতিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে ভারত আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্য দিয়েছে, বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে। বিশ্বমানবতার ইতিহাসে এমন নজির বিরল। অর্থনৈতিক সমস্যা ও জনসংখ্যা সমস্যায় জর্জরিত ভারত এক কোটি বাড়তি মানুষের বােঝা পরম সহিঃতায় বহন করেছে দীর্ঘ নয় মাস ধরে। স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে, ডিসেম্বর পাকবাহিনী ভারতের উপর বিমান আক্রমণ চালায়। এ দিন ভারত বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দান করে। এর পরে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয়। বাহিনীর সমন্বয়ে ‘যৌথ কমান্ড’ গড়ে উঠে। যৌথ কমান্ডের তীব্র আক্রমণের ফলে ৯৩ হাজার পাকসৈন্য ভারতীয়।

দেশ সেবায় নিয়োজিত থাকার প্রধান কারণ

মিত্রবাহিনীর হাই কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। তারই ফলশ্রুতিতে উন্মেষ ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের ।। সুতরাং একথা অনস্বীকার্য যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের অবদান অনন্যসাধারণ । ” (গ) সােভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সােভিয়েত রাশিয়ার অবদান ছিল সর্বাধিক। ভারতের পরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সােভিয়েত রাশিয়া স্মরণযােগ্য। ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশে পাকবাহিনী যখন নির্বাচারে গণহত্যা, লুটপাট, অগ্নিসংযােগ, নারী ধর্ষণের মতাে নারকীয় । ধ্বংসযজ্ঞে লিপ্ত তখন সােভিয়েত রাষ্ট্রপ্রধান ইয়াহিয়া খানকে এ জঘন্য কাজ থেকে নিবৃত্ত হবার জন্য পত্রযােগে অনুরােধ ।

জানান তিনি নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরেরও অনুরােধ জানান। সােভিয়েত জনগণের সহানুভূতি ও | সােভিয়েত পত্র-পত্রিকায় ও প্রচার মাধ্যমে বাংলাদেশের খবর বিশ্বে জনমত সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সােভিয়েত রাশিয়ার সমর্থনেই ভারত বাংলাদেশের প্রতি সহযােগিতা ও সমর্থনের ব্যাপকতা অনেক বেশি বৃদ্ধি করে। যুদ্ধের । শেষ পর্যায়ে নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে পাকিস্তান বনাম ভারত-বাংলাদেশ যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব উত্থাপিত হলে। সােভিয়েত রাশিয়ার ভেটো প্রদানের ফলে তা অকার্যকর হয়। সােভিয়েত রাশিয়া কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে আরাে জোরদার করে তােলে।

উন্নয়ন ও সমদ্ধির ক্ষেত্রে নেতিবাচক ভূমিকা

যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সােভিয়েত রাশিয়া ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের ও অর্থ এবং অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে। স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের বিধ্বস্ত যােগাযােগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সােভিয়েত রাশিয়া প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে।  বিশ্বের সকল নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের পক্ষে চীন সর্বদাই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে চীনের ভূমিকা ছিল নেতিবাচক এবং দুঃখজনক। চীনের সাথে পাকিস্তানের বন্ধুত্ব ও ভারত- রাশিয়ার সাথে বৈরিতা চীনকে পাকিস্তানের বিপক্ষ পথ অবলম্বনে বাধা দান করে। পাকিস্তানের মিথ্যা সম্প্রচারে বিশ্বাস করে গণচীন বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে সর্বাত্মক সাহায্য প্রদান করে। স্বাধীনতাত্তোরকাতে চীন বাংলাদেশের পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও সমদ্ধির ক্ষেত্রে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রদানের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে চীন নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো প্রদান করে।

যুক্তরাজ্যের ভূমিকা : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এবং তারও পূর্ব থেকে অর্থাৎ ছয় দফাভিত্তিক নির্বাচনের পর থেকে বিটিশ প্রচার মাধ্যমগুদে বাংলাদেশের পক্ষে দৃপ্ত কণ্ঠে প্রচারণা চালায়। বিবিসি এবং লন্ডন টাইমস বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা স” বিশ্বজনমতকে জাগ্রত করে তুলেছিল। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া বেতারের ভূমিকাও ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এছাড়া যুক্ত পশ্চিম জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য প্রয়ােজনীয় স সহযােগিতা প্রদান করেছিল। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের অবকাঠামাে পুনর্গঠনে এ সকল রাষ্ট্রের অবদান ছিল অসাধ্য উপসংহার :

পরিশেষে বলা যায় যে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিগুলাের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতাে। খুব চূড়ান্ত পর্যায়ে পরাশক্তিগুলাে নিজ নিজ স্বার্থে ও আদর্শিক বলয় বিস্তৃত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ প্র করেছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাশক্তির ভূমিকা’ গ্রন্থে সৈয়দ আনােয়ার হােসেন বলেছেন,  স সােভিয়েত ও যুক্তরাষ্ট্র অর্থাৎ তিন পরাশক্তির কেউই বাংলাদেশপন্থি বা বাংলাদেশ বিরােধী ছিল না। সবাই নিজ বিবেচনা করে অগ্রসর হয়েছে, ভারতও তাদের নীতি নির্ধারণে বহুল প্রচারিত বিভিন্ন আদর্শিক মতের স্থানই ছিল না।

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান আলােচনা কর। (ঢাকা ক, ঢাকা; অথবা, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান উল্লেখ কর। অথবা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান মূল্যায়ন কর। (স, আনন্দমােহন ক, ময়মনসিংহ উত্তর : ভূমিকা : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত অত্যন্ত ইতিবাচক ও দায়িতুপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন প্রকার সাহায্য-সহযােগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীন অবদান রাখে। যুদ্ধের কারণে দেশত্যাগী উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দান, সশস্ত্র সংগ্রামীদের প্রশিক্ষণে সহায়তা, অd সাহায্য প্রদান সর্বোপরি প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারত ব্যাপক ভূ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষ সহায়তার জন্য ভারত বাংলাদেশের উপর একটি স্থায়ী প্রভাব বিস্তার ।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান নামক দুটি স্বতন্ত্র। বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অঞ্চল নিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্র স্বাধীনতা অর্জন করে। এ দু’অঞ্চলের জীবনধারা ছিল সম্পূর্ণ পৃথক। তাছাড়া পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি সম্প্রদায় তথা বাংলা ভাষাভাষীরাই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ ও স্বতন্ত্র ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমদ্ধ একটি। জাতিগােষ্ঠী। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানিরা সংখ্যায় কম হলেও পূর্ব পাকিস্তানিদের তথা বাঙালিদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাদের উপর শােষণ-নির্যাতন চালাত। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগােষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানিদের তথা বাঙালিদের।

ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ধ্বংস করে তাদেরকে চিরতরে আশ্রিত হিসেবে গড়ে তুলতে বাংলা ভাষা ধ্বংসের চক্রান্ত করে। বাঙালিরা মাতৃভাষা রক্ষার সংগ্রামে আত্মত্যাগ করে এবং এর প্রেক্ষাপটে তাদের মাঝে যে জাতীয়তাবােধ সৃষ্টি হয় তারই। ধারাবাহিকতায়  নির্বাচনে পাকিস্তানি শাসকশ্রেণীকে পরিত্যাগ, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন সালের গণঅভ্যুত্থান এবং সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথকে প্রশস্ত করে। এরই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বাঙালিদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ আরম্ভ করলে। বাঙালিরা স্বাধীনতার জন্য মুক্তিসংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়ে।

দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে অজস্র প্রাণের বিনিময়ে ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। | বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান । বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষভাবে বিভিন্ন। প্রকার সাহায্য-সহযােগিতা প্রদানের মাধ্যমে অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান সম্পর্কে নিম্নে আলােচনা করা হলাে উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দান : পাক-হানাদারদের অতর্কিত আক্রমণে বাংলার মানুষ অত্যন্ত সংকটময় পরিস্থিতির শিকার হয়। হাজার হাজার নারী-পুরুষ জীবনরক্ষার জন্য বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়। ফলে তারা আশ্রয়হীন উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়। অনেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে চলে যায়।

এ সংকটকালীন মুহূর্তে ভারত সরকার আশ্রয়হীন মানুষগুলােকে আশ্রয়। দেয়। এক তথ্যমতে, নভেম্বর পর্যন্ত ভারত সরকার ৮০ লক্ষ থেকে ১ কোটি উদ্বাস্তু বাঙালিকে আশ্রয়। দান করে। জাতিসংঘ সমর্থিত ভারতের এক তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, আসামে ৩ লক্ষ ১৩ হাজার, বিহারে ৯ হাজার, মেঘালয়ে ৬ লক্ষ ৮৮ হাজার, ত্রিপুরায় ১৪ লক্ষ ১৩ হাজার এবং পশ্চিম বাংলায় ৭৪ লক্ষ ৯৩ হাজার উদ্বাস্তু বাঙালি আশ্রয় গ্রহণ করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দান করে ভারত অত্যন্ত মহৎ ভূমিকা পালন করে। ২. গেরিলাদের প্রশিক্ষণে সহায়তা : পাক সেনাদের বর্বর হত্যাযজ্ঞের কারণে দেশের কোথায়ও নিরাপত্তা ছিল ।

অসহায় জনগণকে রক্ষা এবং পাকবাহিনীকে বিতাড়িত করতে সর্বসাধারণ অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। কিন্তু তাদের কোনাে প্রশিক্ষণ ছিল না। তাই দেশের অভ্যন্তরে ভয়ানক ধ্বংসলীলা বিরাজমান থাকায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্রভাবে গেরিলা ইউনিট করে অনেক দলকে ভারতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। ভারত সরকার গেরিলাদের প্রশিক্ষণে যথেষ্ট সাহায্য-সহযােগিতা করে। ৩. অস্ত্র সাহায্য : পাক হানাদারদের প্রতিহত করতে মুক্তিযােদ্ধাগণ প্রতিরােধ ব্যুহ গড়ে তােলেন। কিন্তু। পাকবাহিনী ছিল আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত। তাই মুক্তিযােদ্ধাদের পর্যাপ্ত অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে – ভারত মুক্তিযােদ্ধাদের নিকট অস্ত্র সরবরাহ করে সহযােগিতা করে। ৪. বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দান : প্রত্যেক স্বাধীনতাকামী বা স্বাধীনতা সংগ্রামরত রাষ্ট্রের জন্য। বহির্বিশ্বের স্বীকতি দেশটির স্বাধীনতা লাভের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করে। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অব্যাহত। প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে এবং বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদান করেন।

স্বাধীনতাকামী বা স্বাধীনতা সংগ্রামরত রাষ্ট্রের জন্য

ভারতের এ স্বীকৃতি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।। ৫. বাংলাদেশের সপক্ষে বিশ্ব জনমত গঠন : পাক সেনাদের নির্মম আক্রমণে বাংলাদেশের মানুষের। জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠে। এ করুণ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে প্রত্যক্ষ সাহায্য-সহযােগিতা করা ছাড়াও ভারত সরকার। বাংলাদেশের উদ্ভত সমস্যা সমাধানের জন্য বিশ্বের সকল দেশের কাছে আবেদন জানিয়েছে। এমনকি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযােগে শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার করেছিল এবং তার ফাসি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারতের। প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রিরা গান্ধী ইয়াহিয়া খানকে এ ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র থেকে নিবৃত্ত করার জন্য বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। বৃহৎ শক্তির চাপে ইয়াহিয়ার পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়। ৬. প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অংশগ্রহণ : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত শুধু সমর্থন দান এবং পরােক্ষভাবে সাহায্যসহযােগিতাই করে নি, সংগ্রামেও ভারত অংশগ্রহণ করেছিল।

নভেম্বর মাসে মুক্তিযােদ্ধাদের পরিচালিত বেলুনিয়া। অভিযানের সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ আরম্ভ। এরপর ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী ভারতীয় বিমান ঘাঁটি আক্রমণ করলে ভারত প্রত্যক্ষভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী যৌথভাবে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে লড়তে থাকে।

Masud

আমি মাসুদ রানা। Studytimebd.com একটি শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট। আমি এখানে সকল শিক্ষামূলক তথ্য প্রকাশ করে থাকি। এই ওয়েবসাইটে যে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় তার মাঝে প্রধান ক্যাটেগরি গুলো হলো লেখাপড়া, পরীক্ষার প্রস্তুতি, বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি।

View all posts by Masud →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *