বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান আদর্শ

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর। ঢাকায় আগা সাদেক রােডের ১০৯ নং বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস হচ্ছে নরসিংদী জেলার রায়পরা। থানার রামনগর গ্রামে। তিনি ১৯৬১ সালে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যােগ দেন এবং লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত। ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য পালিয়ে আসার সময় প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান। বিমান বাহিনীর ১টি টি-৩৩ জঙ্গি বিমান নিয়ে বাংলাদেশ অভিমুখে যাত্রা করেন। কিন্তু তার সহযাত্রী রশিদ মিনহাজ।

ঘটনাটি বুঝতে পেরে তাকে বাধা দিতে থাকে এবং একপর্যায় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এর ফলশ্রুতিতে ভারতীয় সীমান্তে সিন্ধু প্রদেশের মরু অঞ্চলে অবস্থান কালে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় এবং তিনি শহীদ হন। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের পােড়া দেহ প্রথমে করাচির মাসরুর বিমান ঘাঁটির চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে দাফন করা। হয়।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান আদর্শ

এই বীর সন্তানের দেহাবশেষ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয় এবং ২৫ জুন মিরপুরের শহীদ। বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পূর্ণ মর্যাদায় পুনরায় দাফন করা হয়। ৭. বীরশ্রেষ্ঠ মােহাম্মদ হামিদুর রহমান : বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার ঘােরদা খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭০ সালে সিপাহি হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যােগ দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ৪ নং সেক্টরের সদস্য হয়ে তিনি যুদ্ধ করেন। ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার মাধবপুর ইউনিয়নের ধলই সীমান্তে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে বীরত্বের সাথে লড়াই করে অগ্রগামী পাকবাহিনীকে প্রতিহত করেছেন এবং জয় ছিনিয়ে এনেছিলেন।

কিন্তু যুদ্ধ প্রায় শেষ এমতাবস্থায় শত্রুর একটি গুলিতে তিনি শহীদ হন। তাকে প্রথমে ত্রিপুরা রাজ্যের ধলাই জেলার হাতিমারাছড়া গ্রামে আব্দুল আলীর পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। গত ১০ ডিসেম্বর ২০০৭ সালে তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পূর্ণ মর্যাদায় পুনরায় তাকে সমাহিত করা হয়। উপসংহার । পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের এই সাত বীর সন্তানের অবদানের কথা এদেশের জনগণ। কোনােদিন ভুলবে না। বাংলার ইতিহাসে তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে এবং থাকবে।

বাঙালি জাতি থাকবে ততদিন সাত বীরশ্রেষ্ঠ

যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, বাঙালি জাতি থাকবে ততদিন সাত বীরশ্রেষ্ঠ সর্বোচ্চ সম্মান ও মর্যাদায় চির ভাস্বর হয়ে থাকবে। ৩৩ প্রশ্ন : ৯.৭। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালিদের সাফল্যের কারণসমূহ আলােচনা কর। অথবা, ১৯৭১ সালে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয় অর্জনের কারণসমূহ উল্লেখ কর। সালের মুক্তিযুদ্ধ হলাে বাঙালি জাতির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের চূড়ান্ত অধ্যায়। বস্তুত এ আন্দোলন ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের, শােষকের বিরুদ্ধে শােষিতের এবং জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের আন্দোলন। আর এ আন্দোলন বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে বাংলার বীর জনতা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিশ্বের দরবারে স্বাধীন সার্বভৌম জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি : ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে জাতীয়তাবােধ গড়ে উঠে, তা প্রতিষ্ঠা। পায় ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। ১৯৫৪-এর নির্বাচনে ১৯৫২-এর ঐক্যবদ্ধতার প্রতিফলন ঘটে। একটি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে যে রূপ পথ অতিক্রম করতে হয় বাঙালি জাতি একে একে সেই পথগুলাে অবলম্বন করে। ১৯৫৬-এর সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার মাধ্যমে বাঙালি জাতির প্রাথমিক বিজয় অর্জিত হয়। সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ‘৬২-এর শিক্ষাবিরােধী আন্দোলন এবং ৬৫’র পাক-ভারত যুদ্ধ নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। ১৯৬৬।

সালে শেখ মুজিবের উত্থাপিত ছয় দফা দীর্ঘ আন্দোলনের যৌক্তিকতা প্রদানের ভূমিকা রাখে। যার ফলে স্বাধীনতার চেতনা তীব্র হতে থাকে। ১৯৬৮ সালের আগরতলার ষড়যন্ত্র মামলা এবং এই প্রেক্ষাপটে গড়ে উঠা আন্দোলন সৃষ্টি করে। ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। ১৯৭০-এর নির্বাচনে বাঙালি জাতি আওয়ামী লীগের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থনের মাধ্যমে দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে গড়ে উঠা ঐক্যবদ্ধতার প্রতিফলন ঘটায়। নির্বাচনি ফলাফল মােতাবেক আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে শুরু করে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র । এ ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত অধ্যায় হিসেবে বেছে নেয় বাঙালি জাতি নিধন। এরই প্রেক্ষিতে ২৬ মার্চ ‘৭১ শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘােষণা করেন। অতঃপর শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। ১৬ ডিসেম্বর ‘৭১ পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ মুক্ত হয়।

মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয়ের পেছনে মূল

মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয়ের পেছনে মূল। ভূমিকা পালন করেছে রাজনৈতিক সংগ্রামের ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটনাপ্রবাহ। | স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয়ের কারণসমূহ : নিম্নে স্বাধীনতা যুদ্ধে বা মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয় অর্জনের কারণসমূহ আলােচনা করা হলাে : | ১, ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহা : বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের উপর ১৯৭০ সালের নির্বাচন সুদূরপ্রসার প্রভাব বিস্তার করেছিল। ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন আসন ছিল ৩০০ এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৩টিসহ মােট ৩১৩টি। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭টি মহিলা আসনসহ মােট ১৬৭টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। অপরদিকে ভুট্টোর পিপিপি ৮৮টি আসন লাভ করে। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ছিল বিধিসম্মত। এ নির্বাচনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি প্রথম স্বশাসন প্রতিষ্ঠার সুযােগ পায় ।

| অথচ সে সুযােগ থেকে তাদের বঞ্চিত করে আন্দোলনের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়। ফলে নির্বাচনের পর্বের আন্দোলনের। চেয়ে নির্বাচনােত্তর আন্দোলন ছিল ভিন্নধর্মী। কারণ নির্বাচনােত্তর আন্দোলন হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভােটে নির্বাচিত নেতত্ব ও রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে। ফলে আন্দোলন পায় নতুন মাত্রা এবং আওয়ামী লীগ মুক্তির প্রতীকে পরিণত হয়। অর্থাৎ ‘৭০-এর নির্বাচন আওয়ামী লীগকে দেয় নেততের আসন, যা মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের বৈধতা দান করে। বহিবিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ব্যাপক সমর্থনের মূলেও নির্বাচনের ফলাফল যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে। 2. পাকিস্তানি বাহিনীর ব্যাপক গণহত্যা : ২৫ মার্চ ‘৭১ মধ্যরাত থেকে পাকসেনারা ব্যাপক গণহত্যার সূচনা ঘটায়।

এ হত্যাকাণ্ড ক্রমাম্বয়ে ভয়াবহ রূপ লাভ করে। এ পর্যায়ে ৭ মার্চের শেখ মুজিবের নির্দেশিত রূপরেখা। অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ে ইতােমধ্যে গড়ে উঠা সংগ্রাম কমিটির মাধ্যমে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে প্রতিরোধের সুচনা হয়। একই সাথে ২৬ মার্চ শেখ মুজিব স্বাধীনতা ঘােষণা করলে সম্মিলিতভাবে বাঙালির প্রতিরােধের সূচনা ঘটে। গণহত্যার এই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ফলেই বাঙালি জাতির একাংশ স্বাধীনতার ব্যাপারে দ্বিধান্বিত থাকলেও পরবর্তীতে | নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে প্রতিরােধ গড়ে তােলে। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধ মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন বাহিনী গঠনের মাধ্যমে সংগঠিত রূপ লাভ করে। এরপরে পাকবাহিনীর গণহত্যা যত বাড়তে থাকে, মুক্তিযােদ্ধাদের প্রতিরােধ স্পৃহাও তত বেড়ে । যায়। যার চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় অর্জনের মধ্যে দিয়ে।

প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠন ও এর যুদ্ধ পরিচালনা

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই প্রবাসী বাংলাদেশ। * সরকার গঠন করা হয়। এ সরকার ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরে শপথ গ্রহণ করে। অতঃপর এ স্থানের নামকরণ করা হয় মুজিবনগর সরকারের নাম করা হয় মুজিবনগর সরকার । আধুনিক বিশ্বে প্রবাসী সরকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। মুজিবনগর সরকার কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রােডে তার সদর দপ্তর স্থাপন করে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। মুক্তিযুদ্ধে। ‘ নেতদান, ১ কোটি শরণার্থীর আশ্রয় ও ত্রাণ ব্যবস্থায় সহযােগিতা, মুক্তিযােদ্ধা ও গেরিলাদের প্রশিক্ষণ, স্বাধীন বাংলা বেত্রাণ। কেন্দ্র পরিচালনা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে মুজিবনগর সরকার বিশেষ ভূমিকা রাখে।

বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সমর্থন : মুক্তিযুদ্ধ সারা বিশ্বকে প্রভাবিত করে। যুক্তরা যুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে। অৱস্থান নিলেও সেদেশের জনগণ, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, শিল্পী, সাহিত্যিক এবং বুদ্ধিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান। নেয়। ১ এপ্রিল ‘৭১ দুজন সিনেটর যথাক্রমে ম্যাসাচুসেটসের এডওয়ার্ড কেনেড়ি এবং ওকলাহমিদা ফ্রেড হারিস। বাংলাদেশের সমস্যার উপর বক্তব্য রাখেন। তারা রক্তপাত বন্ধ এবং দুঃস্থদের সাহায্যের আবেদন জানান। ১৪ এপ্রিল ‘৭১ | ”Vashifi gtv/i Post” পত্রিকার পুরাে পৃষ্ঠা জুড়ে ইয়াহিয়াকে গণহত্যা বন্ধ করতে আহ্বান জানানাে হয়। জর্জ হ্যারিসনের এ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে ভারত, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বিশাল অংশে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি জনমত গড়ে উঠে।

ভারতের সহযােগিতা : মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিপুল শণার্থীদের আশ্রয় দান, তাদের ‘ অরণপােষণ, মুক্তিযােদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অয় সরবরাহ, বহিবিশ্বে এবং জাতিসংঘে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে যথেষ্ট। মিকা রাখে। শুধু শরণার্থীদের পেছনেই ভারত গত করেছে ৭০০ মিলিয়ন লার। এভাবে সরকারি প্রমিকার পাশাপাশি। ভারতবাসী রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন পেশালীদের ভমিকা ছিল এতিমতো বিস্ময়কর। এদিকে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হলে। উভয় রণাঙ্গনে ভারতের ব্যাপক বিমান হামলা পাকবাহিনীকে চরমজানে পর্যদস্ত করেছিল। ফলে মাত্র ১৩ দিনের মাথায় পাকবাহিনী আত্মসমর্পণ করে। পাশাপাশি একটি পরাশক্তি সােভিয়েত রাশিয়া যুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাঙালিদের পক্ষে ভূমিকা রেখে জাতিসংঘে ভারতের পক্ষে ভূমিকা রেখে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করে।

পাকবাহিনীর গণবিচ্ছিন্নতা : পাকবাহিনী ও তাদের সহযােগী রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস- এদের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যার ফলে ক্রমান্বয়ে তা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। অভ্যন্তরীণ দিক থেকেও গেরিলা যোদ্ধাদের ব্যাপক। তৎপরতা সাধারণ মানুষের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন ক্রমান্বয়ে পাকিস্তানিদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। আগস্টে নেপথে পাকিস্তানি বাহিনীর জাহাজডুবির ফলে নৌ-বন্দর দিয়ে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কৌশলগত সমস্যার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানিদের জন্য। একমাত্র পথ খােলা থাকে আকাশ পৃথ।

বাঙালিরা খাদ্য ও রসদ বন্ধ

কিন্তু ভারতের উপর দিয়ে পাকিস্তানি বিমান চলাচলের নিষেধাওয়ার ফলে সে পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্থানীয়ভাবে বাঙালিরা খাদ্য ও রসদ বন্ধ করে দেওয়ায় অনেক জায়গায় পাকিস্তানিরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ফলে ডিসেম্বর চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই পাকিন্তানি সৈন্য। গ্রামগঞ্জ থেকে পালিয়ে শহরে আশ্রয় নেয়। | ৭, পাকিস্তানের আর্থিক সংকট। মে ১৯৬ বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে একটি Tead’ (প্রদান করে। এ টিমেণ রিপাের্টের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাক গণহত্যা বন্ধ এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের জন্য করনকৃত অপাহা পাঠানাে স্থগিত করে। ফলে পাকিস্তানের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এছাড়াও যুদ্ধকালীন স্বাভাবিক উপাদন ব্যাহত হয়। রপ্তানি বাণিজে দেতবাক প্রভাব পড়ায় পাকিস্তান আর্থিক সকটে পতিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সহানুভূতিশীলনের পর কারণে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত পাকিস্তানের জন্য পূর্ব বরকত অনিক সাহায্যা দুণি করে যা বাংলাদেশের বিকি পুলিশিশু এ কারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *